Header Ads

Header ADS

ইন্দোনেশিয়ায় সুনামিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪০০




ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ সুনামিতে এখন পর্যন্ত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, সুনামিতে আহত হয়েছে আরও ১ হাজার ৪৫৯ জন। অপরদিকে এখনো পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে ১২৮ জন। 
শনিবার উপকূলীয় শহর সুমাত্রা এবং জাভায় পর পর দুটি ঢেউ আঘাত হানে। প্রথম ঢেউ অতটা শক্তিশালী না হলেও দ্বিতীয় ঢেউটি ছিল ভয়াবহ। আনাক ক্রাকাতাও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সাগরতলে ভূমিধসের কারণেই এ সুনামির উৎপত্তি হয়েছে। এর সঙ্গে পূর্ণিমার প্রভাব যুক্ত হওয়ায় বিপুল শক্তি নিয়ে সৈকতে আছড়ে পড়েছে সুনামির ঢেউ।
নতুন করে আবারও সুনামির আশঙ্কায় আনাক ক্রাকাতাও আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের বিচের কাছ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার আবারও আনাক ক্রাকাতাও আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত হয়। একটি চার্টার বিমান থেকে সুমাত্রা এবং জাভার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত সুন্দা স্ট্রেইট এলাকায় অগ্ন্যুৎপাতের ভিডিও ধারণ করা হয়। চারদিকে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।
রাস্তাঘাটে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকায় উদ্ধার কাজ ব্যহত হচ্ছে। তবে ভারি সরঞ্জাম দিয়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হতাহতদের খুঁজে বের করতে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।
এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, ক্রমাগত আনাক ক্রাকাতাও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে আবারও সুনামি আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, এ সময়ে লোকজনকে বীচ এবং উপকূলীয় এলাকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া। সেপ্টেম্বর মাসে ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামি হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। আগ্নেয়দ্বীপ ক্রাকাতায় ১৮৮৩ সালে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ওই সময়ও ১৩৫ ফুট উঁচু ঢেউ নিয়ে সৈকতে আঘাত হানে সুনামি। এতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ সে সময় সাগরে ভেসে যায়। কিন্তু দীর্ঘদিন সুপ্ত থাকার পর সাম্প্রতিক সময়ে ক্রাকাতায় আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে। গত শুক্রবার ওই আগ্নেয়গিরি থেকে প্রায় সোয়া দুই মিনিট উদগীরণ হয়। ফলে পর্বতের এক হাজার ৩০০ ফুট উঁচু পর্যন্ত ছাইয়ের মেঘ ছড়িয়ে পড়ে।

No comments

Powered by Blogger.